নিজস্ব প্রতিবেদক:
করোনা সংক্রমণ রোধে দেশব্যাপী চলমান কঠার বিধিনিষেধ আগামী বুধবার থেকে শিথিল হচ্ছে। তবে এর আগেই আজ সোমবার রাজধানী ঢাকাতে সকাল থেকেই সড়কের প্রতিটি পয়েন্টে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়েছে। ফলে বিধিনিষেধ শিথিল হওয়ার আগেই আজ দুর্বিসহ অস্বাভাবিক যানজটের মুখোমুখি হতে হয়েছে নগরবাসীদের।
সরেজমিনে দেখে গেছে রাজধানীর ব্যস্ততম এলাকা কাওরানবাজার, ফার্মগেট, বাংলামটর, শাহবাগ, পান্থপথ এবং কলাবাগান প্রতিটি মোড়ে মোড়ে ছিল যানবনাহনের জটলা। প্রতিটি সিগন্যালে দীর্ঘ সময় যানবাহন গুলোকে অপেক্ষা করতে হয়েছে।
গণপরিবহন না থাকলেও প্রধান প্রধান প্রধান সড়কগুলো ব্যক্তিগত গাড়ি, মোটরসাইকেল ও রিকশার দখলে রয়েছে। ফলে কয়েকটি সিগন্যালে তীব্র যানজটও চোখে পড়েছে।
বিধিনিষেধের মধ্যে সপ্তাহ ৬ দিন মিরপুর থেকে কাওরাবাজার এসে অফিস করেন সাফায়েত হোসেন। আজ প্রচন্ড জ্যাম এড়িয়ে তাকেও আসতে হয়েছে অফিসে। তিনি দৈনিক ইত্তেফাক অনলাইনকে বলেন, কয়েকদিন খুব আরাম করেই গাড়ি চালিয়েছি। আজ আমি সকাল ১০টার আগেই বের হয়েছি অফিসে ঢুকতে প্রায় ১টা বেজে গেছে। অন্যান্য দিন ১৫ থেকে ২০ মিনিট সর্বোচ্চ সময় লাগতো।
একটি বেসরকারি অফিসে জুরুরি সেবায় কাজ করেন জাহিদুল ইসলাম ধানমন্ডির বাসা থেকে রিক্সা করে অফিসে দিকে যাচ্ছিলেন বাংলামটর এর দিকে। পান্থপথ সিগন্যালে এসে আর গাড়ি সামনের দিকে চলার সুযোগ নেই। রিক্সায় বসেই তিনি বলেন, আরামের দিন শেষ, শুরু গেছে নতুন জ্বালা। ১০ মিনিটের পথ ১ ঘন্টা সময় নিয়ে বের হতে হবে। এছাড়া আর কি করার আছে। সড়কে বাস নেই তারপরও দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়েছে।
অনেকেই ভাড়ায় মোটরসাইকেল নিয়ে বিভিন্ন গন্তব্যে গিয়েছে। বাংলামটরে যানজটে আটকে ছিলো অর্ধশতের বেশী মোটরসাইকেল। জ্যামে পড়ায় অনেকেই গাড়ি থেকে নেমে হেঁটে গন্তব্যে যেতে বাধ্য হয়েছে। সেখানে একজন মোটরসাইকেল আরোহী কাওসার বলেন, ঢাকা মেডিকেলে রোগী দেখতে যাওয়ার জন্য তাড়াতাড়ি মোটরসাইকেলে উঠেছিলাম তবে সারা পথই সিগন্যালে আটকে থাকতে হয়েছে।
Leave a Reply